খুলনা, বাংলাদেশ | ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ

ঈদগাঁওতে খালপাড়ের লোকজনের মরণ দশা কাটছেনা, জনদূর্ভােগ চরমে

[ccfic]

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও 

টানা বৃষ্টিপাতে ঈদগাঁওর খালপাড়ের লোকজন দের মরণ দশা কাটছেনা। প্লাবিত হয়ে শিক্ষা্থীও নারী-পুরুষরা চরম বিপাকে পড়েন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে এখনো অব্যাহত রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে জবুতবু হয়ে পড়ে নিমাঞ্চল এলাকার মানুষজন।দেখা যায়, ঈদগাঁও ইউনিয়নের মাইজ পাড়ার বাইন্যা খাল (ভরাখাল)পাশ্ববর্তী স্থানে ঘরবাড়ীর উঠানসহ চলাচল পথ প্লাবিত হয়ে পড়ে। ফলে চলাফেরায় নিদারুন কষ্ট পাচ্ছেন শিশু কিশোর সহ নারী-পুরুষরা। একদিকে থেমে থেমে টানা বৃষ্টিপাত কমছেনা, অন্যদিকে খাল দিয়ে পানি চলাচল না থাকায় এহেন অবস্থা সৃষ্টি।চলাচলের নেই কোন সুষ্ঠু পরিবেশ। দীর্ঘকালও দেখার যেন কেউ নেই। টানা বৃষ্টির ফলে এলাকার চারপাশে পানিতে ভরপুর। শিক্ষাথীরাও প্রতিষ্ঠানে যেতে অনিহা প্রকাশ করছেন। খালে জমে থাকা ময়লা আবজনার দূগন্ধে বিষিয়ে উঠে গ্রামের পরিবেশআরও দেখা যায়,বাড়ী থেকে বের হতে পারছেনা লোকজন। বৃষ্টিতে কোন কাজকর্ম না থাকায় বহু জন বেকারত্বেই দিন কাটাচ্ছেন। দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল কর্মজীবিরা কর্মহীন হয়ে পড়ে। খালপাড়ের অবস্থানরত অনেকে পানির কারনে মাটির চুলাতে আগুন জ্বালাতে পারেননি। রাইস কুকার ও গ্যাসের চুলায় রান্নার কাজ সারতেও দেখা যায়। বৃষ্টি বাদলের দিনে তেমন কাজকর্ম নেই।সূত্র মতে, ঐতিহ্যবাহী এই খালটি দিয়ে একসময় পানি চলাচল করতো। বিভিন্ন সময়ে আমন এবং বোরো মৌসুমে বহুচাষীরা খালের পানির সাহায়্য চাষাবাদ করতো। এখন কালের বিবর্তনে পুরনো এ খালটি দখল,দোকানপাঠসহ বাড়ীঘর নির্মানে হিড়িক পড়েছে। যার কারনে খালটি একেবারেই সংকুচিত হয়ে চলমান বৃষ্টিপাত ও খালের পানি নিস্কাশনের পথ অনেকটাই বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।ফলে টানা দুদিনের বৃষ্টিপাতে পানি খাল দিয়ে সুষ্ঠুভাবে চলাচল করতে না পেরেই খালপাড়ের পাশ্ববর্তী বসতবাড়ীর আঙ্গীনাসহ উঠান প্লাবিত হয়ে বাড়ীতে প্রবেশ করার উপক্রম শুরু হয়েছে। ভরাখালটি খননের অভাবে খালপাড়ের লোক জনের বর্ষা মৌসুমে মরন দশা কাটছেনা কোন ভাবে। দূভোগের কবল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। স্থানীয় জাহেদসহ অনেকে জানান, এমন দূভোগ আর কতকাল। প্রতিবছর বর্ষাকাল এলেই চরম আতঙ্ক থাকতে হয়। এতকষ্ট সহজে মেনে নেওয়া যায়না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গৃহবধূরা জানান, একদিকেই জমে থাকা পানি, অন্যদিকেই বৃষ্টির পানি। পানি যাওয়ার কোন সুব্যবস্থা না থাকায় দুই সমস্যায় সম্মুখীন খালপাড়ের মানুষজনরা। সচেতন মহল জানান, দীর্ঘবছর ধরে ভরাখালটি খনন না করার মরণ দশায় ভোগতে হচ্ছে স্থানীয় লোকজনকে। যদি খালটি খনন করা হতো, পানি চলাচল করতে পারলে খালপাড়ের লোকজনকে এত ভোগান্তিতে পড়তে হতোনা। খাল খনন করে জনদূভোগ থেকে রক্ষা করার দাবী।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT